মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২ জানুয়ারি থেকে কয়েকশো বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী সেখানকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। এরমধ্যেই আবার তুষারপাত শুরু হয়েছে সেখানে। ঠিক যেন গোদের উপর বিষের ফোঁড়া।
আরও পড়ুন: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর
কোথায় হল তুষারপাত
তুষারপাত শুরু হয়েছে আউলিতে। জোশীমঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আউলি। হাওয়া অফিস সেখানে বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে। বৃষ্টি ও তুষারপাত শুরু হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, এমন আশঙ্কাই করছেন জোশীমঠের (Joshimath) বাসিন্দারা।
আউলিতে বরফপাতের ফলে সেখানকার তাপমাত্রার পারদ আরও নামছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও বাড়ছে। স্থানীয় হাওয়া অফিসের প্রধান বিক্রম সিংহ বলেন, ‘‘জোশীমঠ এবং আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমবে। রাতের পারদ ২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। দিনের বেলায় ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকবে তাপমাত্রা। আগামী কয়েক দিন উত্তরাখণ্ডে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তার পর আবার বৃষ্টি এবং তুষারপাত হবে।’’
ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে জোশীমঠে বিগত কয়েকদিন ধরেই। বাড়িতে ফাটল ধরায় ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক শো পরিবার। ঠান্ডায় প্রচন্ড কষ্ট পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তার ওপর তুষারপাতের পূর্বাভাস জারি হয়েছে, এতে আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তাঁরা। স্থানীয়দের মতে ফাটল বেড়েই চলেছে প্রতিদিন, এরপর বাড়িগুলোর ওপর বরফ জমলে ওজন বেড়ে আরও বড় বিপদ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। উত্তরাখণ্ড সরকার বিপজ্জনক বাড়ি খালি করার কাজ শুরু করেছে। সমগ্র জোশীমঠকে তারা তিনটি জোনে ভাগ করেছে। ডে়ঞ্জার জোন, বাফার জোন এবং সেফ জোন। প্রতিবছর ২.৫ ইঞ্চি করে ডুবছিল জোশীমঠ, উপগ্রহ চিত্রে এমনটাই ধরা পড়েছে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
+ There are no comments
Add yours